ভয়ঙ্কর ভূতের গল্প
পিলে চমকানো ভূতের গল্পকে আমি সেরা ভূতের গল্প বলি না। যে গল্প পড়লে, বা শুনলে ছেলে-বুড়ো রাতে ছাদে উঠতে কিম্বা মোড়ের মাথায় তালগাছের দিকে তাকাতে ভয় পায়, আমি সে গল্পকে ভালোবাসি না।
ভালো ভূতের গল্প পড়লে বুক দুরুদুরু করতে পারে, রাতে একা শুতে আপত্তি থাকতে পারে, কিন্তু সেই সঙ্গে একটা খোলা হাওয়া ছাড়া পাওয়া, অনন্তলোকের ইঙ্গিতও পাওয়া চাই। হোক তা হাওয়ার মতো হাল্কা মন-গড়া আশ্বাস। তার একটা মজার দিকও থাকে।
ভূতের গল্প যারা ভালবাসে, তাদের আরও ভাল লাগার জন্য এই প্রচেষ্টা সার্থক হলেই আমার আনন্দ।
লীলা মজুমদার
সূচিপত্র:
টমসাহেবের বাড়ী – ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
এথেন্সের শেকল বাঁধা ভূত – হেমেন্দ্রকুমার রায়
দিনে দুপুরে – বুদ্ধদেব বসু
ঠিক দুপুরে আকাশ কুসুম – স্বপন বুড়ো
রাক্ষুসে পাথর – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
লোকসান না লাভ – আশাপূর্ণা দেবী
মাঝরাতের কল – প্রেমেন্দ্র মিত্র
ওয়ারিশ – লীলা মজুমদার
তান্ত্রিক – ধীরেন্দ্রলাল ধর
বোধহয় লোকটা ভূত – শুদ্ধসত্ত্ব বসু
ছক্কা মিয়ার টমটম – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
ভূতেরা বিজ্ঞান চায় না – অদ্রীশ বর্ধন
হুড়কো ভূত – অমিতাভ চৌধুরী
ভূতে পাওয়া হরিণ – সংকর্ষণ রায়
মড়ার মাথা কথা বলে – রবিদাস সাহারায়
ফ্রান্সিসের অভিশাপ – শিশিরকুমার মজুমদার
সত্যি ভূতের মিথ্যে গল্প – বরেন গঙ্গোপাধ্যায়
শব্দের রহস্য – বিমল কর
পুরোনো জিনিস – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
ভাড়া বাড়ি – মঞ্জিল সেন
জ্যোৎস্নায় ঘোড়ার ছবি – অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
শাঁখারিটোলার সেই বাড়িটা – লক্ষ্মণকুমার বিশ্বাস
হাসি – বিভুতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ভূতুড়ে রসিকতা – আনন্দ বাগচী
ভূতেশ্বরের দরবারে কোয়েল – জগদীশ দাস
ভূত আছে কি নেই – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
ভূতের সঙ্গে লড়াই – শেখর বসু