ব্যোমকেশ সমগ্র
বাংলা সাহিত্যের এক অতি প্রিয় চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সী। ধারালাে নাক, লম্বা চেহারা, নাতিস্থুল অবয়ব। অসামান্য পর্যবেক্ষণ-ক্ষমতা, অনবদ্য বিশ্লেষণী দক্ষতা। শুধু বুদ্ধি দিয়েই যাবতীয় জটিল রহস্যের জট ছাড়ান এই সত্যান্বেষী। তবু কী রােমাঞ্চকর একেকটি ব্যোমকেশ-কাহিনী !
আসলে ব্যোমকেশের গল্প-উপন্যাস নিছক গােয়েন্দা কাহিনী নয়। বরং সাহিত্যের ভােজে যা ছিল অপাঙক্তেয়, সেই গােয়েন্দা-কাহিনীকে ব্যোমকেশকাহিনীর মধ্য দিয়ে চিরায়ত সাহিত্যের স্তরে উত্তীর্ণ করেছিলেন শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। জীবনকে এড়িয়ে ব্যোমকেশ-কাহিনীর সৃষ্টি করেননি তিনি। চেনা জীবনের মধ্যেই ফুটিয়ে তুলেছেন অচেনা চমক। ব্যোমকেশের প্রতিটি গল্প-উপন্যাস এই অখণ্ড সংগ্রহে সাজানাে হয়েছে কালানুক্রমিক বিন্যাসে। ব্যোমকেশ- জীবনের এক ধারাবাহিক চলচ্ছবি এই গ্রন্থ।
সূচিপত্র:
অর্থমনর্থম্
মাকড়সার রস
অমৃতের মৃত্যু
লোহার বিস্কুট
বহ্নি-পতঙ্গ
পথের কাঁটা
খুঁজি খুঁজি নারি
বেণীসংহার
চোরাবালি
শৈলরহস্য
রক্তের দাগ
অচিন পাখি
মগ্নমৈনাক
কহেন কবি কালিদাস
শজারুর কাঁটা
রক্তমুখী নীলা
সীমান্ত-হীরা
অদৃশ্য ত্রিকোণ
সত্যান্বেষী
ব্যোমকেশ ও বরদা
চিড়িয়াখানা
চিত্রচোর
হেঁয়ালির ছন্দ
রুম নম্বর দুই